Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৯ অক্টোবর ২০১৮

ইতিহাস

স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। নিপোর্ট স্বস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে। নিপোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে জোরদার করার জন্য কর্মসূচিভিত্তিক মূল্যায়নধর্মী অপারেশনাল গবেষণা ও সার্ভে পরিচালনা করা এবং কর্মসূচি উন্নয়নের জন্য গবেষণার ফলাফল কার্যকরভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করা। নিপোর্ট প্রধান কার্যালয়ের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা ছাড়াও প্যারামেডিক্স, ইউনিয়ন পর্যায়ে সেবা প্রদানকারী, মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজার এবং মাঠকর্মীদের প্রশিক্ষণ বিভাগীয় ও জেলা শহরে পর্যায়ে ১২টি পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (FWVTI) এবং উপজেলা পর্যায়ে ২০টি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (RTC)-এর মাধ্যমে পরিচালনা করছে। 

স্বাস্থ্য ও পরিকবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিপোর্টই একমাত্র প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান যেখানে কর্মকর্তা/কর্মচারীদের আবাসিক সুবিধা-সহ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। জাতীয় পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যমত্ম নিপোর্টের রয়েছে সুন্দর পরিবেশে প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা। নিপোর্ট প্রধান কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ সুবিধা ছাড়াও বিভাগীয় ও জেলা শহরেরয়েছে ১২টি পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (FWVTI), উপজেলা পর্যায়ে রয়েছে ২০টি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (RTC)। এছাড়া, ১২টি এফডব্লিউভিটিআই-এর সাথে আরো ৩১টি মাঠ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (FTC) সংযুক্ত রয়েছে।

ভৌগোলিকভাবে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (FWVTI) ও আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (RTC) গুলো এমন দূরত্বে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে যাতে দেশের সকল এলাকা থেকে প্রশিক্ষণার্থীগণ সহজে কেন্দ্রে এসে প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারেন এবং সেখানে স্বাচ্ছন্দভাবে হোষ্টেলে অবস্থান করতে পারেন। নিপোর্টের গবেষণা ইউনিটের অবস্থান প্রধান কার্যালয়ে। তবে কখনো কখনো গবেষণার তথ্য সংগ্রহ, মনিটরিং ও সুপারভিশন কাজে এবং বিভিন্ন সময়ে বিভাগীয় পর্যায়ে গবেষণার তথ্য বিতরণকল্পে সেমিনার আয়োজনের জন্য এ ইউনিটের কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে গিয়ে কাজ করতে হয়। 


Share with :

Facebook Facebook